পিএসএল ফাইনালের জন্য পুরোপুরিভাবে প্রস্তুত করাচী

করাচীতে পিএসএল ফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে নিরাপত্তা মহড়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এই নিরাপত্তা মহড়া পর্যবেক্ষণ করার জন্য আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরামর্শক দলের ২ সদস্যের প্রতিনিধি দল করাচী পৌঁছেছে। এই মহড়াতে সিন্দ পুলিশ, পাকিস্তান রেন্জার্স, এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি ফোর্স (এএসফি)সহ পাকিস্তানের সব নিরাপত্তা বাহিনী উপস্থিত ছিলো। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরামর্শক ক্রেগ ডটসন এই নিরাপত্তা মহড়া পর্যবেক্ষণ করতে করাচীতে পা রাখেন। ডটসন করাচীর গাদ্দাফী স্টেডিয়ামে এই মহড়া পর্যবেক্ষণ করে পরে এই মহড়ার উপর একটি রিপোর্ট তৈরি করে তা ফেডারেশন অব ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেটারস অ্যাসোসিয়েশন ( ফিকার) কাছে উপস্থাপন করবেন।

ডটসন গনমাধ্যমকে বলেছেন, “আজ আমি প্রথমে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের সাথে আলোচনা করবো,  তারপর আমি মহড়া দেখার জন্য স্টেডিয়ামে যাবো। আমি পুরো নিরাপত্তা মহড়া পর্যবেক্ষণ করে তারপরই রিপোর্ট তৈরি করবো”। তিনি আরো বলেছেন,”আমি এখানে কয়দিনের জন্য এসেছি তা জানিনা, পিসিবি অফিশিয়ালদের সাথে কথা বলেই জানতে পারবো”।

করাচীতে ফাইনাল খেলতে রাজি বেশিরভাগ দলের বিদেশী প্লেয়ার। ডিআইজি (ইস্ট) সুলতান খাজা গনমাধ্যমকে বলেছেন, “নিরাপত্তা দলকে সবধরনের সাহায্য করতে প্রস্তুত পুলিশ।“ তিনি আরো বলেছেন, “সিন্ধের প্রধান মন্ত্রীর সাথেও একটি মিটিং করবে  নিরাপত্তা পর্যবেক্ষক দল”। 

সুলতান খাজা আরো বলেছেন, “আমরা গত নভেম্বর থেকেই তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে যাচ্ছি। এই নিরাপত্তা দল যখন গত নভেম্বরে শেষবারের মতে পরিদর্শনে এসেছিলো,  তখন তারা আমাদের কিছু নির্দেশনা দিয়ে গেছিলো আমরা সেই অনুযায়ীই কাজ করেছি। আমরা আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা তাদের সামনে তুলে ধরবো।“

প্রধান মন্ত্রী ডটসন ছাড়াও রেন্জার্সের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সাথেও আলোচনা করবেন। খাজা বলেছেন, “আমরা আমাদের নিরাপত্তা পরিকল্পনা তাদের সামনে তুলে ধরেছি, আজ শুধু তা বাস্তবে তাদের সামনে তুলে ধরবো।“ তারপর খাজা ফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে তাদের নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। তিনি বলেছেন, “২৫শে মার্চের ফাইনালে পুরো করাচী শহরে ৮০০০ পুলিশ নিয়োজিত থাকবে। এছাড়াও ৩০০-৪০০ পুলিশ মোবাইলস ও মোটরবাইক থাকবে। প্লেয়ারদের নিরাপত্তায় পুলিসসহ আরো কিছু নিরাপত্তা বাহিনীর লোক নিয়োজিত থাকবে। আজকের এই মহড়া ৪-৬ ঘন্টা ধরে হবে, আর নিরাপত্তা পর্যবেক্ষক দলের কোনো চাহিদা থাকলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা করা হবে। তাই এই মহড়া উপলক্ষে আগেই করাচীর জনগনকে অবগত করে দেয়া হয়েছে, যাতে তারা সহযোগীতা বজায় রাখতে পারে।“

খাজা আরো বলেছেন, “আমরা পুরো বিশ্বকে দেখিয়ে দিতে চাই যে করাচী পুলিশও বিশ্বমানের নিরাপওা দিয়ে ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন করার ক্ষমতা রাখে “।

আরমান হাসান (প্রতিবেদক), মাঠের খেলা

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *