কাজী অনিকের বিধ্বংসী বোলিংয়ের পরও হারতে হলো মোহামেডানকে

আব্দুল মজিদের ব্যাটে ভর করে টুর্নামেন্টে প্রথম জয় পেলো লিজেন্ড অফ রুপগঞ্জ।

টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মজিদের ৭০ রানের উপর ভর করে ২৩২ রানের লড়াকু পুজি পায় রুপগঞ্জ। জবাবে মোশারফ হোসেনের স্পিন ভেল্কিতে মাত্র ১৬৯ রানে অলআউট হয়ে যায় সাদা কালো শিবির।

ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে রূপগঞ্জ। দলের স্কোর অর্ধশতক পার হতেই প্যাভিলিয়নে রুপগঞ্জের দুই ব্যাটসম্যান। সালাউদ্দিন এবং পাকিস্থানি রিক্রুট সামি ইসলামকে আউট করেন কাজী অনিক। তবে তৃতীয় উইকেটে নাঈম ইসলামকে নিয়ে ৮০ রানের জুটি গড়েন মজিদ। মূলত এ জুটিতে ভর করেই লড়াইয়ের পুঁজি পায় তারা। তবে ১ রানের ব্যবধানে এ দুই ব্যাটসম্যানকে হারালে আবার চাপে পরে যায় দলটি।

অভিষেক মিত্রকে নিয়ে তুষার ইমরানের ৮২ রানের দারুণ এক জুটিতে লড়াইয়ের পুঁজি পায় রূপগঞ্জ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭০ রানের ইনিংস খেলেন মজিদ। ১১৫ বলে সমান ৩টি করে চার ও ছক্কায় এ রান করেন তিনি। ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৩১ রানের বেশি করতে পারেনি রূপগঞ্জ। মোহামেডানের হয়ে কাজী অনিক দখল করেন ৫ উইকেট।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে মোহামেডানের শুরুটাও ভালো হয়, কিন্তু রনি তালুকদার এবং সালমান বাট আউট হয়ে গেলে চাপে পড়ে যায় সাদা কালোরা।শামসুর রহমান এবং রকিবুল হাসান দলকে জয়ের দিকে নিয়ের যাওয়ার চেষ্টা করলেও সফল হতে পারেনি। শামসুর রহমানের বিদায়ের পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে মোহামেডান। নিয়মিত বিরতিতে হারাতে থাকে উইকেট। শেষ সাত উইকেটের পতন ঘটে ৫৮ রানে। ৪৪.৩ ওভারে ১৬৯ রানে অলআউট হয় দলটি ফলে ৬২ রানের বড় ব্যবধানেই পরাজয় মানতে বাধ্য হয় মোহামেডান। রূপগঞ্জের পক্ষে মাত্র ২৩ রানের খরচায় ৪টি উইকেট নেন মোশারফ। আসিফ হাসান ও শহীদ ৩টি করে উইকেট পান।

তোফায়েল আহমদে খান (প্রতিবেদক), মাঠের খেলা

 

 

Be the first to comment on "কাজী অনিকের বিধ্বংসী বোলিংয়ের পরও হারতে হলো মোহামেডানকে"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*