পরিকল্পনা মত খেলতে না পারায় হারতে হয়েছে ঢাকা টেস্ট

মাত্র আড়াই দিনে ধরাশায়ী টাইগারবাহিনী।

ইংল্যান্ড-অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে স্পিনিং ট্র্যাকের সুবিধা নিয়ে টেষ্ট ম্যাচ ড্র করেছিলো বাংলাদেশ। একই সুবিধা লংকানদের বিপক্ষে নিতে গিয়ে উল্টো নিজেরাই সেই ফাদে কুপোকাত স্বাগতিকরা। ধনঞ্জয়া-হেরাথের স্পিন ভেল্কিকে আড়াই ছয় সেশনেই শেষ মিরপুর টেস্ট। ম্যাচ শেষে তাই তো সবার প্রশ্ন একটাই স্পিনে খেলতে অভ্যস্ত একটি দলের বিপক্ষে  এমন আত্নঘাতী উইকেটে খেলার সিদ্ধান্ত কেন নিলো বাংলাদেশ? ম্যাচ শেষে তারই উত্তর দিলেন টাইগারদের ভারপ্রাপ্ত কাপ্তান মাহমুদুল্লাহ, “আমরা জানতাম ওদের স্পিন ডিপার্টম্যান্ট খুব ভালো, আমাদের ব্যাটসম্যানদের উপর ভরসা ছিলো, কিন্তু ব্যাটসম্যানরা ভালো পারফর্ম করতে পারেনাই।“

২য় ইনিংসে তামিম আউট হওয়ার পর মুমিনুল এবং ইমরুল আক্রমনাত্বক ব্যাটিং করেছেন। তবে এরা দুজন আউট হওয়ার পর তাসের ঘরের মত পুরো দল ভেঙ্গে পড়ে। মাহমুদুল্লাহ জানান বাধ্য হয়েই এমন উইকেটে আক্রমনাত্নক হতে হয়েছে  অন্যদিকে এমন উইকেট দেখে হতবাক লঙ্কান স্পিনার রঙ্গনা হেরাথ। এমন জয় শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটের জন্য ইতিবাচক হিসেবেই দেখেন এই স্পিনার। হেরাথ জানান, “এই উইকেটে ব্যাটসম্যানদের তেমন কিছুই করার ছিলো না। এমন উইকেট আক্রমনাত্বক অথবা ডিফেন্সিভ হতে হবে। আশা করি এই জয় নিশ্চিতভাবেই আমাদের এগিয়ে নেবে।“

টি-২০’র জন্য দলে রেখে সাব্বিরকে একাদশে খেলানো নিয়ে প্রশ্ন এলো টাইগার কাপ্তানের কাছে, মোসাদ্দেক সৈকত যখন প্রিমিয়ার খেললেন, তখন একাদশ গঠন নিয়েও সেই পুরনো যুক্তি। “সাব্বিরকে নেয়ার একটা কারন ছিলো সে স্পিন খুব ভালো খেলে, সুইপ-রিভার্স সুইপ এগুলো খুব ভালো এপ্লাই করতে পারে। এই উইকেটে আক্রমণাত্মক মেজাজে না খেললে সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। এই ইনিংসে মুমিনুলের ইনিংসটা দেখেন ৪৭ বলে ৩৩ করেছে। ইতিবাচক লক্ষ্যে না খেললে খুব কঠিন। “

টেষ্ট সিরিজের পর ১৫ তারিখ থেকে শুরু হবে টি-২০ সিরিজ, এই সিরিজের আগে টেস্টে এমন অসহায় আত্নসমর্পন-বাংলাদেশ দলকে দাঁড় করালো কঠিন বাস্তবতায়।

তোফায়েল আহমদে খান (প্রতিবেদক), মাঠের খেলা

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *