২য় দিন শেষে শক্ত অবস্থানে লংকানরা

চরম ব্যাটিং ব্যার্থতায় হতাশায় টাইগার শিবির।

প্রথমদিনেই ৪ উইকেট খুইয়ে ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিলো স্বাগতিকরা। ক্রিজে ছিলেন মেহেদি হাসান মিরাজ এবং প্রথম টেস্টে ভালো ব্যাটিং করা লিটন দাস। লক্ষ্য একটা বড় পার্টনারশীপ গড়ে তোলা, সেদিকেই এগুচ্ছিল এই দুই টাইগার ব্যাটসম্যান।

তবে স্পিনিং ট্র্যাকে পেসার লাকমলের বলে বোল্ড আউট হয়ে লিটন দাস ফিরে যান ব্যক্তিগত ২৫ রানে। এরপর দলীয় ১০৭ রানে অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের আউটের সঙ্গে দুশ্চিন্তা ভর করে স্বাগতিক শিবিরে। ৩ রান তুলতে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে চরম লজ্জায় পড়ে বাংলাদেশ। গত ৭ বছরে প্রথমবার এমন ধ্বস নেমেছে তাদের। আর ক্রিকেট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রানে শেষ ৫ উইকেট হারানোর ঘটানা এটি। এরআগে শূন্য রানে ৫ উইকেট হারিয়েছিলো জিম্বাবুয়ে।  ধনঞ্জয়ের স্পিন ভেল্কিতে মাত্র ১১০ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা। এই স্পিন বিষ্ময় দখল করেন ৩ উইকেট। টাইগারদের হয়ে মিরাজের ৩৮ ছাড়া বলার মত আর বলার মত কেউ রান করতে পারেনি।

১১২ রানের শক্তিশালী লিড নিয়ে ২য় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে মেন্ডিসকে শুরুতে হারালেও করুণারত্নের ৩২, চান্দিমালের ৩০ ও রোশেন সিলভার অপরাজিত ৫৮ রানে দিনটা নিজেদের করে নেয় শ্রীলঙ্কা। দ্বিতীয় দিন শেষে লংকানদের লিড ৩১২, হাতে আছে এখনও ২ উইকেট, কাজেই এই টেষ্টে জয় পেতে খুব বেশী সমস্যা হওয়ার কথা নয় অতিথিদের। টাইগারদের হয়ে মোস্তাফিজ তুলে নেন ৩ উইকেট। এদিন দৃষ্টিকটু লেগেছে সাব্বিরের পারফরম্যান্স। সম্প্রতি নিষিদ্ধ হওয়া এই ক্রিকেটারকে মোসাদ্দেকের পরিবর্তে সুযোগ দেয়া হলেও মাত্র ৩ বলে আউট হন সাব্বির, ফিল্ডিংয়েও ছিলেন ব্যর্থ, ১ম ইনিংসের মত এদিনও ক্যাচ মিস করেছেন তিনি। ৩য় দিনে টাইগাররা যে লংকান স্পিনারদের তোপের মুখে পড়তে যাচ্ছে তা নিয়েই দুশ্চিন্তায় স্বাগতিক ব্যাটসম্যানরা।

তোফায়েল আহমদে খান (প্রতিবেদক), মাঠের খেলা

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *