কুলদিপ-চাহালের জুটিতে শংকার মুখে অশ্বিন-জাদেজার ভবিষ্যত

এই দুই জুটির বোলিং তোপের মুখে প্রোটিয়া শিবির।

ভারতীয় এই স্পিন জুটি গত কয়েক মাস ধরেই নিজেদের মাটিতে প্রায় সব দলকেই ধরাশায়ী করে ছেড়েছে। তার ব্যাতিক্রম প্রোটিয়াদের সাথে সিরিজেও হয়নি, এখানেও চাহাল ও কুলদিপের বোলিং এর কাছে দাঁড়াতেই পারেনি  প্রোটিয়ারা। এই দুইজনের ধারাবাহিক পারর্ফমেন্সের কারনে দলে সুযোগ পেলেও একাদশে সুযোগ মিলছেনা অভিজ্ঞ দুই ক্রিকেটার জাদেজা এবং অশ্বিনের।

ভারতীয় সাবেক স্পিন লিজেন্ড বিশান বেদির মতে, “চাহাল ও কুলদিপ দুইজনেই তৃতীয় ওডিআইতে ৪টি করে উইকেট পেয়েছে। এবং এই দুইজন মিলে প্রথম তিন ওডিআইতে ৯.০৫ গড়ে ২১ টি উইকেট নিয়েছেন। এরই মাধ্যমে প্রমান  করে যে ভারতীয় স্পিনাররা বিশ্বমানের, তারা যে কোনো কন্ডিশনে ভালো করার ক্ষমতা রাখে। ভিন্ন কন্ডিশনে এই রকম সফল আগে কখনোই কোনো ভারতীয় স্পিনাররা হয়নি।“ চাহাল ও কুলদিপ দুজনের বোলিং এর কারনে এই মূহুর্তে জাদেজা ও অশ্বিনের অনুপস্থিতি কোনো বড় প্রভাব ফেলছে না। তরুন এই স্পিনাররা এখনো কোনো ভুল স্টেপ ফেলেনি।

অন্যদিকে সাবেক ভারতীয় স্পিনার ভেঙ্কটপ্রতি রাজু বলেছেন, “আমি খুবই খুশি তাদের বোলিংয়ে, কিন্তু প্রোটিয়াদের ব্যাটিং খুবই দৃষ্টিকটু ছিলো, তাদের দুইজনের ভালো পারফর্মেন্সের কারনে অশ্বিন ও জাদেজার জন্য দলে ফেরা চ্যালেঞ্জিং। আপনাকে মনে রাখতে হবে যে অশ্বিন ও জাদেজা এখনো ১ নম্বর স্পিন জুটি। কুলদিপ ও চাহাল দুইজনেই অনেক চেষ্টা করছে ভালো করার জন্য। তাই তরুন এই দুইজনের জন্য আমি শুভকামনা জানাই, এখন স্পিন আক্রমণে একটা প্রতিযোগিতা দেখা যাচ্ছে যা খুবই ভালো লক্ষন”।

বেদির মতে এটাই সঠিক সময় ভারতের জন্য ২০১৯ বিশ্বকাপের আগে নিজেদের স্পিন আক্রমণকে ঝালিয়ে নেয়ার। রাজুর মতে, “এটাই এই সিরিজে ভারতের জন্য সঠিক স্পিন কম্বিনেশন,  তাই বাকি ম্যাচ গুলোতেও তরুনদেরই সুযোগ পাওয়া উচিৎ।  এই ধরনের কন্ডিশনে এই চাহাল ও কুলদিপের মতো বোলাররা এই কন্ডিশনে অনেক বেশি কার্যকরী।  আসলে এই দুই বোলারের বোলিং বেশিরভাগ দেশের ব্যাটসম্যানরা এখনো খেলেনি, তাই তাদের জন্য খেলাটা অনেক কঠিন।“

আরমান হাসান (প্রতিবেদক), মাঠের খেলা

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *