ডিমেরিট পয়েন্ট পেলো চট্টগ্রামের উইকেট

চট্টগ্রামের পিচকে ‘বিলো অ্যাভারেজ’ বলে রায় দিয়েছেন ম্যাচ রেফারি ডেভিড বুন।

দু্‌ই টেষ্ট সিরিজের ১ম টেষ্ট অনুষ্টিত হয় চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ স্ট্যাডিয়ামে। স্পিন সহায়ক উইকেট হবে এই ধারনায় একাদশের মাত্র একজন পেসার নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় টাইগার শিবির, খেলানো হয়েছে ৩ জন জেনুইন স্পিনার। কিন্তু বাস্তবে চিত্র ছিলো পুরো উল্টো, প্রথম টেস্টে দুই দল মিলে রান করেছে ১৫০০ এর উপরে। যেখানে শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করার প্রয়োজনই পড়েনি। দুই ইনিংস মিলে সেঞ্চুরি হয়েছে ৫টি, হাফ সেঞ্চুরি হয়েছে ৬টি।  সেঞ্চুরিগুলোর মধ্যে তিনটি ছিল আবার ডাবল সেঞ্চুরির কাছাকাছি। অনুমেয়ই ছিলো এই টেস্ট ড্রয়ের দিকেই গড়াবে, হয়েছেও তাই।

ম্যাচ শেষে প্রেস কনফারেন্সে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার দিমুথ করুনারত্নে চিটাগংয়ের উইকেটকে নিম্নমানের বলেছিলেন। অবশ্য বাংলাদেশের কাপ্তানের মুখে ছিলো প্রশংসাই পেয়েছে এই উইকেট। তবে বাস্তবতা হলো আইসিসি থেকে খারাপ পিচের স্বীকৃতিই পেল জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামের উইকেট।

ম্যাচ শেষে ম্যাচ রেফারি ডেভিড বুন আইসিসির কাছে তার রিপোর্টে উল্লেখ করেছেন, ‘ফাস্ট বোলারদের জন্য পিচে কোন মুভমেন্ট ছিল না, যেটি পুরো ম্যাচ জুড়ে ছিল। স্পিনারদের জন্য উইকেটে মাঝে মধ্যে নিচু টার্ন ছিল। কিন্তু ম্যাচের অগ্রগতির জন্য যা মোটেও যথেষ্ঠ ছিল না। ফলে পাঁচ দিন ব্যাটিং করা ব্যাটসম্যানদের জন্য কোনো কঠিন কিছু ছিল না।’ মূলত বুনের দেওয়া এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই ১ ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের উইকেট।

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ি, যে কোন উইকেট পাঁচ বছরের মধ্যে পাঁচটি ডিমেরিট পয়েন্ট পেলে সব ধরনের ক্রিকেট সেটি ১২ মাসের জন্য  বহিস্কার হবে। এর আগে অস্ট্রেলিয়া টেস্টে মিরপুরের উইকেটও বাজে আউটফিল্ডের জন্য আইসিসি থেকে দু্‌ই ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছে।

তোফায়েল আহমদে খান (প্রতিবেদক), মাঠের খেলা

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *