থামানো যাচ্ছেনা ম্যাচ ফিক্সিং

এপর্যন্ত তিন জন ক্রিকেটার ম্যাচ ফিক্সিং এর প্রস্তাবে অভিযোগ করেছেন আইসিসিতে। তাদের মধ্যে দুইজনের নাম জানা গেছে।

বেশ আগে থেকেই কিছু চক্র ম্যাচ ফিক্সিং এর চেষ্টা করে আসছে এই ভদ্রলোকদের খেলাকে কেন্দ্র করে। এমনকি অনেক চেষ্টা করেও তা নির্মূল করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি আইসিসির এন্টি করাপশন ইউনিট অভিযোগকারি অধিনায়কদের তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তে মাঠে নেমেছে।

এই ৩য় ব্যাক্তি কে?

দ্যা গার্ডিয়ানের রিপোর্ট অনুযায়ী এ পর্যন্ত দুইজনের নাম জানা গেছে। এর মধ্যে প্রথমে আছে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক গ্রাহাম ক্রেমার। অক্টোবর মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে টেস্ট ম্যাচ চলাকালে তিনি ম্যাচ ফিক্সিং এর প্রস্তাব পান। এবং তিনি সেটা প্রত্যাখ্যান করেন এবং এক ঘন্টার মধ্যে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান ।

দ্বিতীয় ব্যাক্তি একজন বড় তারকা। তিনি আর কেও নন, আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি জেতা পাকিস্থানি অধিনায়ক সরফরাজ আহামেদ। সংযুক্ত আরব আমিরাতে  কয়েক মাস আগেই শ্রীলংকার মুখোমুখি হয়েছিলেন সরফরাজের দল, যেখানে তিনি ম্যাচ ফিক্সিং এর প্রস্তাব পান এবং তিনিও সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অভিহিত করেন।

তাদেরকে কোন  ধরনের প্রস্তাব দেয়া হয়?

অবশ্যই সব কিছুর মুলে টাকাটাই প্রধান। ফিক্সাররা খেলায় বিশ্বাসঘাতকতা করার জন্য খেলোয়ারদের টাকার প্রলভোন দেখায়। দ্যা গার্ডিয়ানের বিবৃতি অনুযায়ী, ম্যাচ ফিক্সাররা ৫০০০ মার্কিন ডলার থেকে শুরু করে ১৫০০০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত দিতে প্রস্তুত ছিল।

আর অন্য কোন কোন জায়গায় ম্যাচ ফিক্সিং এর প্রবনতা দেখা যায় ?

কেবলমাত্র আন্তর্জাতিক পরিসরেই নয়, অপরাধীরা এখন মধ্য-পূর্ব অঞ্চলে অনুষ্ঠিত মাইক্রো-কম্পিটিশনের  উপরও তাদের দৃষ্টি  রয়েছে এবং সম্প্রতি অনেক অবসরপ্রাপ্ত এবং সুপ্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সুপারস্টারদেরকে তারা লক্ষ্য করে। শুধু তাই নয়, বর্তমানে মহিলা ক্রিকেটেও তাদের আনাগোনার প্রমান পাওয়া যাচ্ছে।

মানিক ইমদাদ (প্রতিবেদক), মাঠের খেলা

 

 

Be the first to comment on "থামানো যাচ্ছেনা ম্যাচ ফিক্সিং"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*