Captain’s knock

পেটে ক্ষুধা যতই থাকুক মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে। একজন ক্রিকেট টিমের অধিনায়ককে  এক কথায় বর্ণনা দিতে গেলে এভাবেই বলতে হয়। যখন একজন খেলোয়ারকে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করতে হয় তখন তাকে নিজের খেলার পাশাপাশি তার টিমের সবার খেলার দিকেও খেয়াল করতে হয়।

একজন অধিনায়কের মানসিক দৃঢ়তা, যোগাযোগের দক্ষতা, মানসিক শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস এবং মানুষ পরিচালনার দক্ষতা খুব ভালোভাবে থাকতে হয়। ক্রিকেট ইতিহাসের ১৪০ বছরে যুগে যুগে অনেক মহান অধিনায়করা শ্রেষ্ঠত্ত্বের পাতায় তাদের নাম লিখে গেছেন। এমনি সেরা ৫ জন ক্রিকেটারকে নিম্নে তুলে ধরা হল

মাহেলা জয়াবর্ধনে, ২০০৭ (সেঞ্চুরি : ৭)

২০০৭ সালে মাহেলা জয়াবর্ধনে ৭ টি আর্ন্তজাতিক সেঞ্চুরি অর্জন করেন। তিনি শ্রীলংকার দলের একমাত্র ব্যাটসম্যান যিনি এক বছরে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি অর্জন করে রেকর্ড করেছেন। ২০০৭ সালে তিনি মোট ৪৫ টি ম্যাচ খেলেন যেখানে তিনি মোট ২২৩০ রান সংগ্রহ করেছিলেন এবং তার গড় ছিল ৫১.৮৬, বিশেষ করে বাংলাদেশ এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলে তিনি এই রান করেন। তার সর্বোচ্চ স্কোর আসে ইংল্যান্ডের সাথে টেস্ট খেলার সময়। তিনি ২১৩ রানে অপরাজিত ছিলেন। এটা ছিল তার চতুর্থতম ডবল সেঞ্চুরি।

ব্রায়ান লারা, ২০১৩ (সেঞ্চুরি : ৭)

২০০৩ সালে অধিনায়ক  ব্রায়ান লারা ২৫ ম্যাচে  ১৯৮৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। যার গড় ছিল ৬৪। ৫ টি টেস্ট এবং ২০০ টি ওডিআইতে তিনি সবসময় প্রতিপক্ষকে চাপের মুখে রেখেছিলেন। অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলংকা ও জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে তিনি দুটি করে সেঞ্চুরি করেন। তিনি ঐ বছর শ্রীলংকা ও সাউথ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ডাবল সেঞ্চুরি করেন। শ্রীলংকার বিরুদ্ধে লারা সর্বোচ্চ ২০৯ রানের স্কোর করেন। ২০০৩ সালের আইসিসি বিশ্বকাপে সাউথ আফ্রিকার বিরুদ্ধে লারার ১৩৪ বলে ১১৬ রানের ইনিংস আজও স্মরণীয় হয়ে আছে।

ভিরাট কোহেলি, ২০০৯ (সেঞ্চুরি : ৯)

২০১৭ সালে নভেম্বরের ১৬ তারিখে ইডেন গার্ডেনে  শ্রীলংকার বিরুদ্ধে  ১০৪ রানের স্কোরের মধ্য দিয়ে তিনি এই বছরে ৫০তম সেঞ্চুরিতে পৌঁছে যান।  মোট ৩৪৮ ম্যাচে ৫০টি সেঞ্চুরি করে তিনি তার নিকটতম খেলোয়াড় সাউথ আফ্রিকার অধিনায়ক হাসিম আমলার সাথে সমতায় আসেন। টেস্টে ৩টির বেশি এবং ওয়ান ডেতে ৬ টি সেঞ্চুরির মধ্য দিয়ে তিনি ২০১২ এবং ২০১৪ সালের নিজের করা রেকর্ডকে পেছনে ফেলেছেন।এ বছর অন্য কোন অধিনায়ক কোহেলির থেকে বেশি স্কোর করতে পারেনি।

গ্রাহাম স্মিথ, ২০০৫ (সেঞ্চুরি : ৯)

২০০৫ সালে  সাউথ আফ্রিকার অধিনায়ক স্মিথ ৩৫ ম্যাচে ২০৩৫ রানের স্কোর করেন যার গড় ছিল ৫০.৮৭। টেস্টে ৪ টি সেঞ্চুরি এবং ওডিআইতে ৫টি সেঞ্চুরি করেন।  তারমধ্যে ৪ টি আসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। পোর্ট অব স্পেনে তিনি সর্বোচ্চ ১৪৮ ​​রান করেন।

রিকি পন্টিং, ২০০৫, ২০০৬ (সেঞ্চুরি : ৯)

২০০৫ এবং ২০০৬ সালে টপ স্কোরের তালিকায় যে ছিল সে আর কেও না, অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক রিকি পন্টিং। ২০০৫ সালে পন্টিঙের ৪৬ ম্যাচে স্কোর ছিল ২৮৩৩ রান। এবং ২০০৬ সালে ৩৫ ম্যাচে স্কোর ছিল ২১৬১ রান। ২০০৬ সালে আইসিসি পুরষ্কারের পাশাপাশি তিনি প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার ঘোষিত হন। ২০০৬ সালে সিডনিতে সাউথ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ১০০ তম টেস্ট খেলেন এবং দুটি ম্যাচেই সেঞ্চুরি করেন। একই বছরে অ্যাসেজ সিরিজে এক ইনিংসে ১৫৬ রানের এক ঐতিহাসিক ইনিংস উপহার দেন।

মানিক ইমদাদ (প্রতিবেদক), মাঠের খেলা

 

 

Be the first to comment on "Captain’s knock"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*